কুসুম সিরিয়ালের গল্প ,
আসলে ঠাম্মি আমি একজনকে খুজে বেড়াচ্ছিলাম যে তাকে না পাওয়া পর্যন্ত আমি বিয়েই করবো না, এমই বলছেন গল্পের নায়ক আয়ুশ গাঙ্গুলি। তখন ঠাম্মি বলেন আসলে আমরা যা খুজি তা হইতো আমাদের কাছেই থাকে কিন্তু আমরা খুজে পাইনা। তখন আয়ুষ্মান গাঙ্গুলী বলে এটা একদম ঠিক বলেছেন ঠাম্মী আমরা যাকে খুঁজি সে আমাদের একদম চোখের সামনেই থাকে কিন্তু আমাদের কপালে এতোই খারাপ হয় যে সে মানুষটাকে আমরা চিনতে পারিনা। তখন পাশ থেকে ইশান বলে দা ভাই দুই চিন্তা করিস না ঠাম্মি এর আগেও অনেক ঘটকালি করেছে তোর একটা ব্যবস্থা করে দেবেই। তখন ঠাম্মি বলে হ্যাঁ আমি জুটি গড়ে দিতে পারি ভালোভাবে।
তখন ঈশান হেসে বলে ঠাম্মি তুমি যদি দ্যা ভাইয়ের জুটি মিলিয়ে দিতে পারো তাহলে আমি সারাদিন পেঁয়াজ কাটবো। তখন ঠাম্মি আয়ুস কে জিজ্ঞেস করে তোমার কেমন মেয়ে পছন্দ বলতো, আয়ুশ তখন বলতে থাকে যে মেয়ের হাসি দেখলে সব দুঃখ ভুলে থাকা যায় যে মেয়ে সরল সহজ, যার চোখ দেখে সারা জীবন কাটিয়ে দেয়া যায়, যে আমার পরিবারকে দেখে রাখবে আমাকে সামলে রাখবে আমি সেরকম মেয়ে চাই। তখন ঠাম্মি আবার মনে মনে বলে এর পছন্দ তো কুসুমের সঙ্গে হুবহু মিলে যাচ্ছে। এরপর ঈশান গিয়ে আবার কুসুমকে বলে ভাইদা নিজের পছন্দের মেয়ের কথা বল্ল তো তোমার মুখ এমন কালো হয়ে গেল কেন ? তখন কুসুম লজ্জা পেয়ে বলে কই না তো আপনি যে কি বলেন না!
ঠাম্মি কুসুমের বাবাকে বলছে জানি মা মরা মেয়ে তোর অনেক চিন্তা হয়ে ওকে নিয়ে। ঠাম্মি বলতেছে কুসুমের বাবার ভাগ্য বদলে যাবে। তখন কুসুমের বাবা খুশিতে বলে এত মেঘ না চাইতেই জল। কুসুমের বাবা বলতেছে যেহেতু তুমি দেখেছো ছেলেকে আমার আর দেখার কি আছে তুমি যত তাড়াতাড়ি পারো ওদের চার হাতে এক করে দাও। ঠাম্মি বলতেছে ওরে দাঁড়া দাঁড়া আগে মন্দিরে ঠাকুরের কাছে গিয়ে শুনি ওদের জুটিটা কেমন হবে যদি ভালো বলে তখন তোর কাছে ছেলেটার ছবিটা পাঠিয়ে দিব। তখন কুসুমের বাবা বলে ঠিক আছে পিসি তুমি যা ভালো মনে কর। পিসি বলে যদি সবকিছু ঠিক থাকে তুই চলে আসবি তারপর বিয়ে দিয়ে দিব। ফোন কেটে দিয়ে কুসুমের বাবা ঠাকুরকে বলতেছে ঠাকুর তুমি সুখে রেখো কুসুমকে। কুসুম গ্রামে গিয়ে ভালোই হয়েছে, যেতে না যেতেই কুসুমের বিয়ের ঘর আসছে।
এর মধ্যে আবার কুসুম চলে আসে কুসুম চলে আসে বলে তুমি কার সাথে কথা বলছ ঠাম্মি? ঠাম্মি তখন মিথ্যে বলে কুসুমকে যে ব্যাংক থেকে কল এসেছিল! তখন কুসুম বলে ব্যাংক থেকে তো এত রাতে কল দেয়ার কথা না। তারপর কুসুম তার ঠাম্মিকে সাবধান করে দেয় যেন রাতে কেউ কল করলে রিসিভ না করে।তখন তার ঠাম্মা বলে ঠিক আছে ঠিক আছে চল এবার ঘুমাতে যাব।
ভোর হয়ে গেল, সকালে উঠে আয়ুষ্মান গাঙ্গুলী গেল পুকুরে গোসল করতে। পুকুরে গোসল করতে গিয়ে তার বালতিটা পুকুরের মাঝ বরাবর চলে গেল। তখন হঠাৎ করে কুসুম চলে এলো। আয়ুষ্মান মনে মনে বলতেছে কুসুম এসে গেছে এখন একটি উপায় বের করে বালতি আনবে। কুসুম বালতি আনার ট্রাই করছিল তখন পড়ে যেতে লাগলে আয়ুষ্মান ধরে ফেলে। তারপর আবার কুসুমকে বলতে থাকে আমি যদি তোমাকে না ধরতাম তাহলে তোমার কি হতো বলতো কুসুম? তখন কুসুম বলে কি আর হতো যা ভাগ্যে লেখা আছে তাই হতো। আবারো আয়ুষ্মান বলে তোমার ভাগ্যে শুধু আমি আছি। এরপর আয়ুষ্মান কুসুমকে বলে তুমি আমাকে মেনে নাও। কুসুম বলে যদি এরকমটা হয়ে থাকে তাহলে সময় বলে দেবে। আমি সেই সময়ের অপেক্ষায় করবো।
তখন কুসুমকে আয়ুষ্মান বলে আচ্ছা তুমি কি আমাকে ভালোবাসো না? তখন কুসুম বলে এতই স্পর্ধা আমার নেই। আয়ুষ্মান বলে তুমি যদি আমাকে ভালো না বাসতে তাহলে তুমি এখানে আসতে না আমাকে সাহায্য করতে। আয়ুষ্মান বলতে থাকে তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছো তাই না? কুসুম বলে আমি যখন শহরে গিয়েছিলাম তখন আপনি আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন আমি সেগুলো ফিরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছি। এর বাইরে আর কিছু না। তখন আয়ুষ্মান বলে তুমি এত নিষ্ঠুর কেন? তুমি যেভাবে কথা বলছো যে কারো কষ্ট হবে। কুসুম বলে আপনি এখানে দাঁড়িয়ে থাকুন আমি আপনার গোসল করার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। এরপর কুসুম জল থেকে বালতিটা উঠিয়ে এনে দেখে আয়ুশ তার দিকে তাকিয়ে আছে। এরপর কুসুম মজা করেই বালতি থেকে পানি নিয়ে আয়ুশের মুখে ছিটা মারে,এটা দেখে আয়ুশ ও কুসুম কে পানি ছিটা দেয়। দুজনে মজা করতে থাকে। এমন দৃশ্য গুলোই এপিসোড এ দেখানো হয়। আগামী পর্বে কুসুম সিরিয়ালের জমজমাট পর্ব দেখতে সাথেই থাকুন।

